Image Source : Google

বাড়িতে টুকটাক ফিউজ লাগাতে গিয়ে বা চার্জারের পিন গুঁজতে গিয়ে একটু আধটু কারেন্টের শক সবাই খেয়ে থাকে। আমরা সাধারণত তাতে বিশেষ আমল দিইনা। কিন্তু বিপদ কখন কিভাবে আসে তা বোঝা দায়। তাই আসুন জেনে নিই মারাত্মক ভাবে কারেন্ট শক খেলে বা বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে আমাদের তৎক্ষণাৎ কী কী করণীয় এবং কীভাবে আমরা তা এড়াতে পারবো-

১.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে হাত দেওয়া যাবে না।

২.বৈদ্যুতিক সুইচ সঙ্গে সঙ্গে বন্ধ করে দিতে হবে।

৩.সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে শুকনো খবরের কাগজ, উলের কাপড়, শুকনো কাঠের টুকরা অথবা রাবার দিয়ে বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তিকে বৈদ্যুতিক উৎস থেকে ধাক্কা দিয়ে আলাদা করতে হবে।

৪.ধাক্কা দেওয়া এবং সুইচ বন্ধ করা সম্ভব না হলে দ্রুত বৈদ্যুতিক অফিসে খবর দিতে হবে।৫.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির গায়ে কখনোই পানি দেওয়া যাবে না।

৬.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির গলা, বুক ও কোমরের কাপড় ঢিলা করে দিতে হবে।

৭.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির হৃদপিণ্ডের সঞ্চালন বন্ধ হয়ে গেছে মনে হলে দ্রুত তার বুকের ওপর জোরে জোরে চাপ দিতে হবে। ডাক্তারি ভাষায় একে বলে সিপিআর(CPR)।

৮.বিদ্যুতস্পৃষ্ট ব্যক্তির শ্বাস বন্ধ হয়ে গেলে কৃত্রিম শ্বাস দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্ততপক্ষে যতক্ষণ পর্যন্ত তাকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব না হয় ততক্ষণ এটা করতে হবে।

৯.রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

এছাড়া আমাদের দুর্ঘটনা থেকে যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে:

১.ভেজা শরীরে বা হাতে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ধরা যাবে না।

২.খালি পায়ে ভেজা জায়গায় দাঁড়িয়ে বিদ্যুতের কাজ করা যাবে না।

৩.বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় অবশ্যই স্পঞ্জ বা রাবারের জুতা পরে নিতে হবে।

৪.প্রয়োজনে মেইন সুইচ বন্ধ করে বৈদ্যুতিক কাজ করতে হবে।

এছাড়া ও আমাদের ছোট ছেলে মেয়ে, ভাই বোনকে সাবধান রাখতে হবে যাতে তারা কারেন্ট নিয়ে খামখেয়ালি না করে।

The post কারেন্ট শক লাগলে যে ভুলটি একদম করবেন না, মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে, জেনে নিন appeared first on Moner Diary.

Categories: Technology

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *