গরমের হাত থেকে বাঁচতে হলে একটা এসি কেনা অবশ্যই উচিত। কিন্তু এসি কিনতে গেলে কোন এসি কিনলে ভালো হয় বা কোন এসি বেশিদিন চলবে এইসব নানা প্রশ্ন মাথায় ঘুরে বেড়ায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর নিয়ে হাজির আমরা। এসি কেনার আগে এই কয়েকটি বিষয় অতিঅবশ্যই সকলের মাথায় রাখা উচিত।

গরমের অস্বস্তি থেকে বাঁচতে মানুষ কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা। সকালে অফিস যেতে নাজেহাল হচ্ছে মানুষ, বাড়ির বাইরে পা রাখতে রীতিমতো ভয়ে কাতর হচ্ছে মানুষ। তাই এসি কেনার আগে একটু ভাবুন. টিভিতে বা চারিদিকে বিজ্ঞাপন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। মনে রাখুন এই বিষয়গুলি।

১. স্প্লিট এসি নাকি ইউন্ডো এসি? এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, ইউন্ডো এসি লাগাতে হলে আপনার একটি জানালা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। জানালা সবসময় বন্ধ থাকলে এসি না চলা কালীন আলোবাতাস ঘরে ঢুকতে পারবেনা। উল্টোদিকে স্প্লিট এসির কম্প্রেসারটি বাইরের দিকে থাকে তাই সেটি আপনি নিজের ইচ্ছেমতো জায়গায় লাগাতে পারেন। তবে এক্ষেত্রেও কম্প্রেসার বসানোর জন্য দেওয়াল ভাঙতে হয়, তবে এটি বাইরের দিকে থাকে বলে মেশিনের আওয়াজ ঘরে আসেনা। তবে স্প্লিট এসির তুলনায় উইন্ডো এসির দাম কম।

২. এসি কেনার আগে তা ইনভার্টার এসি কিনা দেখে নিন। এই ধরণের এসির চাহিদা এখন বেশি। কিন্তু এটি ইনভার্টার ব্যাটারির মতো দেখতে নয়. পাওয়ার্কাট হলে কোনোভাবেই সাহায্যদায়ী নয়, ভাবছেন তাহলে ইনভার্টার এসি কিনে লাভ কি? সাধারণ এসিতে কম্প্রেসার ফুল ক্যাপাসিটিতে চলে, ঘর ঠ্যান্ড হয়ে গেলে কম্প্রেসার অটোমেটিক কমে যায়। ঘর গরম হওয়া শুরু হলে আবার ফুল পাওয়ারে চলে। কিন্তু ইনভার্টার এসির কম্প্রেসার প্রয়োজনকত অবস্থায় থেকে ঘরকে ঠান্ডা রাখে। ইনভার্টার এসির কম্প্রেসার কম পাওয়ারেও চলে বলে সাদাহরণ এসির তুলনায় বিদ্যুৎ খরচও কম হয়, প্রায় ৩০% সাশ্রয় হয় বলে জানা গেছে।

৩. BEE ষ্টার রেটিং দেখে কিনুন। কোনো ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র চালাতে কতটা বিদ্যুৎ খরচ হবে তা জানা যায় BEE ষ্টার রেটিং থেকে। যেমন ১ ষ্টার এসি ব্যবহার করলে বছরে বিদ্যুৎ খরচ হয় ৮৪৩ ইউনিট, আবার ৫ ষ্টার ব্যবহার করলে তা ৫৫৪ ইউনিটে দাঁড়ায়। তবে ষ্টার রেটিং বদলে যায় বছর বছর। যেমন দুবছর আগে একটি ৫ ষ্টার এসি বর্তমান বছরে ৩ ষ্টার এসি হয়ে দাঁড়ায়।

৪. এসির ক্যাপাসিটি অবশ্যই জেনে নিন অর্থাৎ বাজারে একটন থেকে দু টন এসি পাওয়া যায়, যার যেরকম ঘরের সাইজ সেই অনুযায়ী এসি কেনা হয়। কিন্তু এটি এসির ওজন নয়, আসলে একটি এসি ঘন্টায় কতটা তাপ ঘরের বাইরে বের করতে পারে তারই পরিমাপ করে। ১৫০ স্কয়ারফুট ঘরের জন্য এক টন এসি যথেষ্ট আবার ঘরের পরিমাপ বেশি হলে বেশি টনের এসি প্রয়োজন।

The post এসির হাওয়া খাওয়ার আগে অবশ্যই এই ৪ টি জিনিস জেনে নিন, নাহলে বিপদ appeared first on Moner Diary.

Categories: Technology

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *