মাত্র ১৭০ দিনের মধ্যে ১০ কোটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে রেকর্ড গড়েছিল জিও। যা সারা বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত। তারপর থেকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক অফারের সিঁড়িতে ভর করে ভারতের অন্যতম সর্বাধিক ব্যবহৃত টেলিকম ব্যবসায় নিজের নাম লিখিয়ে নিতে সক্ষম এই সংস্থা। কিন্তু এই আইডিয়া আসলে কার মস্তিষ্কপ্রসূত? খোলসা করলেন সংস্থার কর্ণধার মুকেশ আম্বানি।

মুকেশ আম্বানির মেয়ের নাম ঈশা আম্বানি। মুকেশ বাবুর কথায়, ঈশা ২০১১ সালে তাকে এই ব্যাপারে প্রথমবার বলেছিল। তার মেয়ে তখন আমেরিকার ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিল এবং তার মেয়ে ছুটি কাটানোর জন্য কিছুদিনের জন্য ভারত এসেছিল তাদের পরিবারের কাছে। তার তখন শিক্ষাসংক্রান্ত কিছু পেপার জমা দেওয়ার কথা ছিল ইন্টারনেটের মাধ্যমে।কিন্তু মেয়ে এসে বাবাকে এসে অভিযোগ জানাই যে তাদের বাড়ির ইন্টারনেটের গতির খুবই খারাপ অবস্থা।”তখন ঈশার দাদা আকাশ তার বাবাকে বলে আগেকার দিনে টেলিকম ক্ষেত্রে কথা বলায় ছিল সব ,এবং তা থেকে বিভিন্ন কোম্পানি টাকাও উপার্জন করেছে ভালোমতোই কিন্তু বর্তমানের জগতে সব কিছুই ডিজিট্যাল ।আর এই বিষয় তার মাথাকে নাড়িয়ে দেয়।আর তাই তিনি প্রায় ৩১০০ কোটি আমেরিকান ডলার খরচ করে তৈরি করেন এই জিও টেলিকমিউনিকেশন।আম্বানির মতে ভারতীয় নতুন প্রজন্মের মধ্যে নতুন ধারণার অভাব নেই, এখানে প্রত্যেকেই দক্ষ এবং তারা জানে কি নতুন তারা করতে চায়।

কিন্তু সময় এবং অর্থের সাকুল্যে সবাই পেরে ওঠে না।আর তাই তিনি সকল শিল্পপতিদের এইসব নতুন ধারণা দেওয়া নতুন প্রজন্মকে আরও বেশি উৎসাহিত করার আহ্বান জানান।আম্বানির মতে ভারত এই মেধা সম্পন্ন যুবক যুবতীদের নিয়ে আগামী ২০২৮ এর মধ্যেই পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি সম্পন্ন দেশে পরিণত হবে।আর তাই সব দিক দিয়ে জিও আজ এগিয়ে চলেছে এই নতুন প্রজন্মের চিন্তাধারনাকে তাদের ব্যবসায়িক উপায়ে কাজে লাগিয়ে।বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যার বিচারে জিও ভারতে চতুর্থ স্থান অধিকার করে আছে টেলিকম ইন্ডাস্ট্রিতে। ভবিষ্যতে জিও ইন্টারনেটকে ব্যবহার করে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে ও বিনোদনের ক্ষেত্রে ও পরিবহন ক্ষেত্রেও বিপ্লব আনার প্রস্তুতি শুরু করেছে।

The post ‘জিও’র আইডিয়া কে দিয়েছিল আম্বানির মাথায়? নামটি জানলে চমকে যাবেন appeared first on Moner Diary.

Categories: Technology

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *